জি এম ফসল – বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষির তুলনা

আজ আমরা অষ্টম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা বইয়ের প্রথম অধ্যায় বাংলাদেশের কৃষি ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট শীর্ষক পাঠ থেকে জি এম ফসল এবং বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষির তুলনা নিয়ে আলোচনা করবো; আজকের আলোচনা শেষে তোমরা  ৮ম শ্রেণির এস্যাইনমেন্ট (নির্ধারিত কাজ) জি এম ফসল – বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষির তুলনা শীর্ষক কাজটি সম্পন্ন করতে পারবে;

এই আলোচনা শেষে তোমরা নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে পারবে-

  • জি. এম ফসল বলতে কি বুঝ?
  • বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষি তুলনা করতে পারবে;

চলো আমরা মূল আলোচনায় ফিরে যাই (তোমরা কোনোভাবেই এই তথ্যটি হুবুহু কপি করে খাতায় লিখবেনা। এখান থেকে আইডিয়া সংগ্রহ করে নিজের মত করে এস্যাইনমেন্ট তৈরি করবে)

জি. এম ফসল বলতে কি বুঝ?

ফসলের মৌসুম নির্ভরতা কাটিয়ে ওঠার এবং তুলনামূলক স্বল্প খরচের পদ্ধতি হলো ফসলের বংশগতিতে পরিবর্তন আনা।

ফসলের জিনগত বিন্যাস বদলানো, ফসলের দিবা দৈর্ঘ্য সংবেদনশীলতার জন্য দায়ী জিন ছাঁটাই করা অথবা এমন পরিবর্তন আনা যাতে প্রশমিত থাকে। ‌

সংকরায়ন ও ক্রমাগত নির্বাচনের মাধ্যমে ছাড়াও অন্য বেশ কিছু আধুনিক উপায়ে লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব। ‌

এ ধরনের ফসল কে জিএম ফসল বা Genetic Modified Crops বলা হয়। ‌

এই বিশেষ কৌশল সমূহকে সাধারণভাবে বলা হয় জীব কোষের বায়োটেকনোলজি।

বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষি তুলনা কর-

বাংলাদেশের ও ভিয়েতনামের কৃষিতে বেশি মিল ধান উৎপাদনে। তবে এক্ষেত্রে দৃশ্যত ভিয়েতনামের কৃষকদের অগ্রগতি বাংলাদেশের চেয়ে দ্রুতগতিতে হয়েছে।

২৫ বছর আগে যেখানে ভিয়েতনামের কৃষি উৎপাদন অনগ্রসর দুর্বল ছিল, এখন তারা প্রায় সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেছে।

উন্নয়নের গতি পাওয়ার অন্যতম কারণ হলো ভিয়েতনামের কৃষকসমাজ অত্যন্ত সংগঠিত।

ভিয়েতনামের কৃষি সম্প্রদায়ের সমবায় সংগঠনগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও সৃজনশীল।

সেখানকার সকল কৃষক কোন না কোন সমবায় সংগঠন এর সাথে যুক্ত।

কৃষি সমবায় সংগঠন গুলো এত শক্তিশালী যে এরা স্থানীয় সরকারের বাৎসরিক ভাইয়ের অন্তত ৫০ শতাংশ যোগান দিয়ে থাকে।

স্থানীয় কৃষি গবেষণা ও কৃষি সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও তারা আর্থিক সহায়তা দেয়।

এই সকল সংগঠন কৃষি নীতি ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ এর ভূমিকা রাখে। ‌

বাংলাদেশি তো মধ্যে কৃষিতে ভিয়েতনাম থেকে বেশকিছু মাঠ প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে। ‌

এই ছিল আজকে আমাদের জি এম ফসল – বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের কৃষির তুলনা শীর্ষক আলোচনা। তোমাদের জন্য আজকের টিউনটি দিয়েছেন, মোঃ খায়রুল আলম, সহকারি শিক্ষক (কৃষি), আজিয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়

তোমার জন্য নির্বাচিত কিছু কনটেন্ট:

প্রতি সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সবার আগে পেতে বাংলা নোটিশ ডট কম এর ফেসবুক পেইজ লাইক ও ফলো করে রাখুন এবং ফেসবুক পেইজ Like ও Follow করে রাখুন;

ইউটিউবে শিক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পেতে Bangla Notice ইউটিউব চ্যানেল Subscribe করে রাখুন।

দেশের নামকরা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীরা তাদের অ্যাসাইনমেন্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করে নিচ্ছে বাংলা নোটিশ এর ফেসবুক গ্রুপে; তুমিও যোগ দাও > গ্রুপ লিংক

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

3 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ